প্রধানমন্ত্রী লোন বাংলাদেশ | কারা পাবেন এবং আবেদন প্রক্রিয়া

আজকের আর্টিকেলে আমরা জানবো প্রধানমন্ত্রী লোন বাংলাদেশ সম্পর্কে বিস্তারিত। এই লোন কারা পাবেন, কিভাবে আবেদন করবেন এবং বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে।

বর্তমান বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশ ও জাতির উন্নতি করার জন্য বেকারত্বের হার কমিয়ে কর্মস্থান সৃষ্টি করতে হবে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী লোন বাংলাদেশ তরুন প্রজন্মেকে দিচ্ছে ৫ বছরের জন্য সর্বোচ্ছ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত লোন সুবিধা।

এই লোন দেশের সকল শিক্ষিত বেকার তরুণ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ছেলেরা নিতে পারবেন। যাতে তারা বাংলাদেশে ব্যবসা করতে পারে এবং নতুন নতুন উদ্যোক্তা হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী লোন বাংলাদেশ কি?

প্রধানমন্ত্রী লোন বাংলাদেশ ব্যবসা সম্প্রসারণ করার জন্য নিয়োজিত লোন প্রদানের একটি প্রকল্প। এই লোনের প্রধান উদ্দেশ্য বাংলাদেশের তরুন প্রজন্মেকে উৎপাদনমুখী অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে উৎসাহিত করা এবং তাদের নতুন নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার জন্য আর্থিক ভাবে সাহায্য করা।

শিক্ষিত তরুন প্রজন্মরা এই প্রধানমন্ত্রী ব্যবসা লোন বাংলাদেশ প্রকল্পের মাধ্যমে যে কোনো উৎপাদনমুখী ব্যবসা আরম্ভ করতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রী লোন বাংলাদেশ এর আর একটি নাম হলো বঙ্গবন্ধু ঋণ।

প্রধানমন্ত্রী ব্যবসা লোন বাংলাদেশ

তরুন প্রজন্মের জন্য ব্যবসা লোন প্রধানমন্ত্রী লোন বাংলাদেশ লোন প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই লোনের মাধ্যমে তরুন প্রজন্মকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং প্রসারিত করার জন্য আর্থিক ভাবে সাহায্যের প্রদান করা হয়।

যে কোনো শিক্ষত প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত  তরুন প্রজন্ম ব্যবসা করার জন্য এই প্রধানমন্ত্রী ব্যবসা লোন নিতে পারবেন। মূলত প্রধানমন্ত্রী ব্যবসা লোন একটি প্রাসঙ্গিক লোন হিসাবে প্রদান করা হয়।

এই লোন তরুন প্রজন্ম উৎপাদনমুখী নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।

প্রধানমন্ত্রী লোন বাংলাদেশ কারা পাবেন বা যোগ্যতা

আপনারা যারা প্রধানমন্ত্রী লোন বাংলাদেশ নিতে চাচ্ছেন তাদের অবশ্যই নিচের যোগ্যতা গুলো থাকতে হবেঃ

  • বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
  • আবেদনকারীর বয়স অবশ্যই ১৮ থেকে ৩৪ বছরের মধ্যে হতে হবে।
  • প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার মতো যোগ্যতা থাকতে হবে।
  • যে ব্যবসা বা কাজের জন্য লোন নিতে পারেন উক্ত কাজে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হতে হবে।
  • অবশ্যই শিক্ষিত এবং বেকার থাকতে হবে।
  • কোনো ব্যাংক থেকে লোন নেওয়া থাকলে উক্ত লোন ঠিকঠাক মতো পরিশোধন না করলে প্রধানমন্ত্রী ব্যবসা লোন বাংলাদেশ পাবেন না।
  • লোনের জন্য আপনার একজন স্থানীয় গ্যারান্টার থাকতে হবে, যিনি লোন পরিশোধ করতে পারবেন। 
  • আপনি যোগ্যতা সম্পূর্ণ থাকলে স্থানীয় শাখা থেকে লোন নিতে পারবেন।

প্রধানমন্ত্রী লোন বাংলাদেশের বৈশিষ্ট্যে

প্রধানমন্ত্রী ব্যবসা লোন বাংলাদেশের মূখ্য বৈশিষ্ট্য গুলো নিচে উল্লেখ করা হলোঃ

  • প্রধানমন্ত্রী লোন বাংলাদেশ প্রকল্পে তরুন প্রজন্মকে ব্যবসা করার জন্য ৫ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়।
  • প্রধানমন্ত্রী ব্যবসা লোনের সুদের হার মাত্র ৯%, যা আর্থিক ভাবে সহজ।
  • এই লোনটি যেকোনো উৎপাদনমুখী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • এই লোন গ্রহন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার যোগ্যতা থাকতে হবে।
  • প্রধানমন্ত্রী লোন বাংলাদেশ আপনাকে ৫ বছরের মধ্যে কিস্তি পরিশোধ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী লোন বাংলাদেশ আবেদন প্রক্রিয়া

  1. প্রধানমন্ত্রী ব্যবসা লোন নেওয়ার জন্য প্রথমে আপনাকে প্রধানমন্ত্রী লোন বাংলাদেশ ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন আবেদন করতে হবে। 
  2. আবেদন ফরম পূরণ করার সময় আপনাকে স্বাক্ষরিত ডিপি নোট এবং লোন পরিশোধ করার সক্ষতা প্রদান করতে হবে।
  3. লোন নেওয়ার জন্য আপনার জমি বা সম্পতির দলিল জমা নিতে হবে।
  4. আবেদনে প্রক্রিয়ার সাথে মিল রেখে স্থানীয় ব্যাংকে যাওয়া হবে এবং লোন পরিশোধের মত সক্ষতা দেওয়া হবে।
  5. আবেদন পর্যালোচনা করার পর যদি আপনার আবেদন গ্রহন করা হয় তাহলে আপনি লোন পাবেন।

শেষ কথা

আজকে আমরা জানলাম প্রধানমন্ত্রী লোন বাংলাদেশ সম্পর্কে বিস্তারিত। এই সম্পর্কে যদি আপনার কোনো প্রশ্ন জানার থাকে তাহলে নিচের কমেন্ট বক্সে লিখে জানাবেন এবং ভালো লাগলে শিক্ষত তরুন প্রজন্মের জন্য শেয়ার করবেন।

লোন সম্পর্কে আরো তথ্য পড়ুন

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *